অন্ডকোষের স্বাভাবিক আকার,বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও মেডিসিন টিপস

অন্ডকোষের স্বাভাবিক আকার , বেশির ভাগ পূরুষের অন্ডকোষ ছোট বড় থাকে ও একটি চেয়ে অন্য টি একটু বেশি ঝুলে থাকে এতে কোন সমস্যা নেই। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, আর অন্ডথলির কোন মাপ নেই ইহা শরিরের তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে ঝুলে থাকা ও মূড়িয়ে থাকা। তাই এ ব্যপারে দুশ্চিন্তা করবেন না

অন্ডকোষের স্বাভাবিক আকার



আপনি আপনার স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গম করছেন আপনার স্ত্রী চিৎ হয়ে শুয়ে আছে আপনি বসে বসে চালাচ্ছেন যদি আপনার অন্ডকোষ আপনার স্ত্রীর পায়খানা রাস্তাতে টাচ করে এবং বাতাস করার মতো ছপাচ্ছপাট করে আওয়াজ করে তাহলে আপনার অন্ডকোষ ঠিক আছে। আর যদি পায়খানা ধরে টাচ না করে তাহলে কম আছে।বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী  যদি বিছানায় টাচ করে তাহলে বেশি আছে।

পুরুষরা প্রায়ই জিজ্ঞাসা করে: বিছানায় আকার কি গুরুত্বপূর্ণ? আপনার কি আকার আছে তা বিবেচ্য নয়। আপনার লিঙ্গ না থাকলেও, আপনার সঙ্গী এখনও দারুণ আনন্দ উপভোগ করতে পারে।বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী  আপনি এটি করতে পারেন ক্লিটোরাল স্টিমুলেশন, বিভিন্ন ইরোজেনাস এলাকায় উদ্দীপিত করে বা বর্ধিত ফোরপ্লে।

বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও মেডিসিন টিপস



পুরুষদের অন্ডকোষের সবচেয়ে মারাত্মক সমস্যা হচ্ছে টেস্টিকুলার টরসান।মারাত্মক বলছি কারণ টরসান হলে অন্ডকোষ বাঁচানোর জন্য আপনার হাতে সময় খুবই কম থাকবে। পুরুষদের অন্ডকোষের স্পার্মেটিক কর্ড যখন পেচিয়ে যায় তখন এটাকে টরসান বলা হয়।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী এই টরসান হলে অতি দ্রুত ডাক্তারের কাছে যেতে হবে এবং অপারেশন করার প্রয়োজন হতে পারে।কারণ স্পার্মেটিক কর্ড পেচিয়ে গেলে সেই অন্ডকোষে রক্ত প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।৬ ঘন্টার মধ্যে যদি এই পেচ খোলা না যায় তাহলে অন্ডকোষটি মারা যেতে পারে এবং অন্ডকোষটি ফেলে দিতে হতে পারে।

অণ্ডকোষের ক্যান্সার অত্যন্ত মারাত্মক রোগ। এ রোগ নির্ণয় করার জন্য প্রতি মাসে একবার করে ভালোভাবে ধরে দেখুন।
অণ্ডকোষের ভেতর স্বাভাবিকভাবে দুটি পিণ্ড থাকে। এখানে তৃতীয় কোনো পিণ্ড কিংবা শক্ত কোনো বস্তুর অবস্থান পাওয়া গেলে তা নিয়ে মোটেই লজ্জা পাবেন না।

লক্ষণ হিসেবে অন্ডকোষে হঠাৎ করে তীব্র ব্যাথা করবে,তলপেটে ব্যাথা হবে এবং বমি বমি ভাবও হতে পারে।সাধারণত অতিরিক্ত কায়িক শ্রম, অন্ডকোষে বংশগত কোন সমস্যা,অন্ডকোষ কোন প্রকার আঘাত কিংবা বয়ঃসন্ধিকালে টরসান হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, সাধারণত ১২ থেকে ২৫ বছর এই বয়সীদের মধ্যে এটি বেশি হয়ে থাকে।এটি বয়স্কদেরও হতে পারে তবে হওয়ার হার অনেক কম। এটি ঘুমের মধ্যে,দাড়িয়ে থাকলে কিংবা বসে থাকলেও হতে পারে৷ প্রতি চার হাজার পু্রুষের মধ্যে একজনের টেস্টিকুলার টরসান হতে পারে।

তথ্যসূত্র: হেলথলাইন