কি খেলে ডোপ টেস্ট নেগেটিভ আসবে,বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও মেডিসিন টিপস

কি খেলে ডোপ টেস্ট নেগেটিভ আসবে , কোন ব্যক্তির দেহে মাদকদ্রব্যের উপস্থিতি সনাক্ত করার জন্য যে পরীক্ষা করা হয় তাকে ডোপটেস্ট বলে। এক্ষেত্রে সাধারণত অভিযুক্তদের মূত্র বা রক্ত,বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও মেডিসিন টিপস আবার কখনও দুটির নমুনা পরীক্ষা করা হয়। ডোপ টেস্টে সর্বচ্চ শেষ ১ সপ্তাহ মুখের লালার মাধ্যমে, শেষ ২ মাস রক্তের মাধ্যমে, শেষ ১২ মাস বা ১ বছরে চুল পরীক্ষার মাধ্যমে পাওয়া যাবে।

কি খেলে ডোপ টেস্ট নেগেটিভ আসবে



মাদকাসক্ত নির্ণয়ের জন্য বর্তমানে এখানে শুধুমাত্র নন এসপেসিফিক বা কোয়ালিটিটিভ টেস্ট করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী এই টেস্টের মাধ্যমে সর্বশেষ ৩ দিনের ভেতর কেউ মাদক গ্রহণ করলে তা শনাক্ত করা যায়।

যা করা হয় ইউরিন বা মূত্র পরীক্ষার মাধ্যমে, স্ট্রিপ টেস্ট পদ্ধতিতে। ডোপ টেস্টের জন্য বর্তমানে ৫টি পরীক্ষা করা হচ্ছে।

এগুলো হচ্ছে এমফিটামিন (ইয়াবা শনাক্তের জন্য), কেনাবিনোয়েড (গাজা, ভাং ও মারিজুয়ানা), বেনজোডাইজিফাইন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী (সিডেটিভ জাতিয় নেশা), ওপিএট (হেরোইন, ফেনসিডিল ও মরফিন) এবং এলকোহল টেস্ট (মদ)। এজন্য নেওয়া হচ্ছে ৯’শ টাকা।

মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে বলতে ঠিক কি ? তিনি কি কি করেন , যা দেখে আপনার মনে হলো তার মানসিক ভারসাম্য নাই , এই টা আগে জানা দরকার। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী আসলে হয়তো ভারসাম্য হারায় নাই । কিন্ত আপনারা আগের মত হাসি খুশি না বলে কি এমন মনে করছেন ?

বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও মেডিসিন টিপস



অনেক সময় drug abuse থেকে গুরুতর মানসিক সমস্যা হতে পারে তবে ড্রাগ ছেড়ে দিলে সমস্যা টা চলে যায়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী না গেলেও একজন psychiatrist এর পরামর্শ মত মেডিসিন খেলে সুস্থ হয়ে যায়।

ফ্যামেলি তে মানসিক রোগ এর ইতিহাস না থাকলে রোগীর এই সমস্যা স্থায়ী হবার কথা না।

তাকে একজন ভালো psychiatrist এর।কাছে নিয়ে মেন্টাল অবস্থা টা কি তা আগে পরীক্ষা করে দেখা দরকার।

প্রতিদিন সকালে আল-কুরআন পড়ুন। যেভাবে পারেন সেভাবেই পড়ুন। আরবী না পারলে অর্থ পড়ুন। কিন্তু প্রতিদিন আল কুরআন পড়ার জন্য ব্যয় করুন সকালের একটি নির্দিষ্ট সময়।বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী  
সৃষ্টিকর্তা আছেন, তিনি আমাদের কাজ-কর্মের হিসাব নিবেন এটা বুঝুন। এ বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করুন। এজন্য ইসলামী বই পড়া দরকার।


সোস্যাল মিডিয়া তথা ইন্টারনেটে কতটুকু সময় দিবেন প্রতিদিন এটা ঠিক করে নিন। প্রয়োজনে ১ মাসের জন্য স্মার্টফোন ও কম্পিউটার থেকে দূরে থাকুন।


তথ্যসূত্র: হেলথলাইন