কৃমির ঔষধ খাওয়ার পর কি ভিটামিন খেতে হয়,স্বাস্থ্য টিপস

কৃমির ঔষধ খাওয়ার পর কি ভিটামিন খেতে হয় , ১ বছরের আগে বাচ্চাকে কৃমির ঔষধ দেয়া যাবে না। কিন্তু ১ বছর হয়ে গেলে নিয়মিত ৬ মাস অন্তর অন্তর বাচ্চাকে কৃমির ঔষধ অবশ্যই দিবেন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী,মনীষীরা এই জীবন যাত্রার মানকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছে এবং  একবার ঔষধ খাওয়ানোর ৭-১০ দিন পর পুনরায় প্রাথমিক ডোজ দিতে হবে।

কৃমির ঔষধ খাওয়ার পর কি ভিটামিন খেতে হয়





খাদ্যের ব্যাপারে দুধ খাওয়ার উপর বেশি জোর দিতে হবে। চল্লিশের পরে বোন ডেনসিটি কমতে থাকে। হাড়ক্ষয় হয়। সেটা রুখতে ক্যালসিয়াম যুক্ত খাবার খেতে হবে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী,মনীষীরা এই জীবন যাত্রার মানকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছে এবং  দুধ ও মাছ ভালো উৎস। প্রতিদিন ১ প্যাকেট ডানো মিনি প্যাক দুধ ১০ টাকা দিয়ে কিনে পানিতে গুলিয়ে খেয়ে ফেলুন।



কৃমি একটি অমেরুদন্ডী পরজীবী প্রাণী। যেটা দেখতে কেঁচোর মত লম্বা সরু আকারের হয়। এরা মানব শরীরে বসবাস করে এবং মানব শরীর থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ এবং গ্লুকোজ শোষণ করে বংশ বিস্তার ঘটায়। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী,মনীষীরা এই জীবন যাত্রার মানকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছে এবং  আস্তে আস্তে মানবদেহে এর বংশবিস্তার ঘটাতে ঘটাতে এক পর্যায়ে মানব শরীর থেকে সমস্ত পুষ্টিগুণ শোষণ করে। মানব শরীর অকেজো হয়ে পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত কিন্তু মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।




আজ থেকে ২৫-৩০ বছর আগে কৃমি রোগের আক্রান্তে অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তখন ইন্টারনেট ছিল না এবং তখনকার মানুষ ছিল অসচেতন এবং মানুষের মাঝে অজ্ঞতা ছিল বেশি। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী,মনীষীরা এই জীবন যাত্রার মানকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছে এবং  নিরক্ষর মানুষেরা বুঝতো না যে শারীরিক অসুবিধা এর প্রতিকার কিভাবে করা হয়। এবং তখন টেকনোলজির ডেভেলপমেন্ট ছিল না বলে বিভিন্ন রোগের ঔষধ তৈরি করা যেত না।

 

কিন্তু এখন কৃমিনাশক ঔষধ বাজারে পাওয়া যায় এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে নির্দিষ্ট সময় পরপর বিনামূল্যে কৃমিনাশক ঔষধ সাধারণ মানুষের মাঝে বিলীন করা হয়। বিশেষ করে স্কুলের বাচ্চাদের মাঝে এই কৃমিনাশক ট্যাবলেট সরবরাহ করা হয়।



মাছের মধ্যে ছোট মাছে ক্যালসিয়াম বেশি। কাটা শুদ্ধ খাওয়া যায়। তাই বড় মাছের চেয়ে ছোট মাছ বেশি খান। বড় মাছও ভালো তবে পুষ্টি বেশি ছোট মাছে।



চল্লিশের পরে চোখের জ্যোতি কমতে থাকে। এটা প্রতিরোধে কচুর শাক খান। এতে প্রচুর পরিমানে চোখের ভিটামিন আছে। শুধু ভিটামিন এ না। আরো গুরুত্বপূর্ন উপাদান পাওয়া যায় যা চোখের জন্য গুরুত্বপূর্ন। এক বাটি কচুর শাক খেলে ৯৭ ভাগ চাহিদা পূরন হয়।




বর্ষা বা শীতকালে এ ট্যাবলেট খাওয়ানো ভালো, অন্য সময়ে নিরাপদ নয়- এর কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই। তবে খাওয়ার পর বা ভরাপেটে এ ওষুধ খাওয়া ভালো, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী,মনীষীরা এই জীবন যাত্রার মানকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছে এবং  ভিটামিন ট্যাবলেট বা সিরাপ খাওয়ার আগে-পরেও এ ওষুধ খাওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। তবে ওষুধ খাওয়ার আগে-পরে বাইরের খোলা খাবার, জুস, চিপস ইত্যাদি থেকে শিশুর পেট খারাপ বা বমি বমি ভাব হতে পারে।

(সূত্র: বিভিন্ন ওয়েবসাইট)