গর্ভপাতের ক্ষতিকর দিক,ডাক্তারের পরামর্শ ও স্বাস্থ্য টিপস

গর্ভপাতের ক্ষতিকর দিক , বিশেষ করে তিন মাস বা কারো কারো ক্ষেত্রে ৬ মাসের মধ্যে তলপেটে ব্যথা ও রক্তপাত শুরু হয়৷ আস্তে আস্তে এই ব্যথা বাড়তে থাকে৷ ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী জীবনযাত্রা ভালো করতে হবে এবং এতে জরায়ুর মুখ খুলে যায় এবং পুরো বা আংশিকভাবে চাকার মতো বা মাংস দলা বের হয়ে আসে ও ব্লিডিং হতে থাকে৷ এগুলোই সাধারণত গর্ভপাতের লক্ষণ৷

গর্ভপাতের ক্ষতিকর দিক



গর্ভপাতের শারীরিক ও মানসিক ঝুঁকি কী কী?

গর্ভপাতের শারীরিক ও মানসিক ঝুঁকি অনেকখানি আছে৷ একটা মেয়ে যদি সন্তান চায় এবং তার যদি গর্ভপাত হয়ে যায়, তাহলে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে৷ গর্ভপাতের কারণে রক্ত বের হতে হতে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়৷

ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী জীবনযাত্রা ভালো করতে হবে এবং  কারো যদি বেশি রক্তপাত হয় তাহলে সে শকে চলে যেতে পারে বা মৃত্যুর মুখেও পতিত হতে পারে৷ গর্ভপাতের ফলে সে যদি আনহাইজেনিক অবস্থায় থাকে দীর্ঘদিন, এভাবে থাকলে সেপটিক অ্যাবরশন বা পরবর্তীতে তার অনেক ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে৷



চিকিৎসকরা বলছেন, অনেক সময় মায়ের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি হলে চিকিৎসকরা গর্ভপাতের পরামর্শ দেন। আবার অনেক সময় জীবনযাপন, অসুস্থতা, খাবার বা অন্যান্য কারণে আপনাআপনি গর্ভপাতও হয়ে যায়।

কিন্তু শুরু থেকে সতর্কতা ও চিকিৎসকের পরামর্শে থাকলে এটি অনেকাংশেই এড়ানো সম্ভব।



বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় কোথায় যেতে পারেন নিঃসন্তান দম্পতিরা
গর্ভবতী নারীর শরীর ও মনে যেসব পরিবর্তন ঘটে
পুরুষেরা যেসব অসুখ নিয়ে লজ্জা ও সংকোচ বোধ করেন



গর্ভপাত হওয়া একজন নারী কী কী ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন?


যাদের বেশি বেশি গর্ভপাত হয়, তাদের তো সমাজিক সমস্যা আছেই৷ যাদের সন্তান নেই, তাদের তো সমাজে খারাপ অবস্থার মধ্যে থাকতে হয়৷ আর যারা বেশি বেশি গর্ভপাত করায়, তাদের ভবিষ্যতে অনেক রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে৷

ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী জীবনযাত্রা ভালো করতে হবে এবং তাদের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে, ভবিষ্যতে আর সন্তান না-ও হতে পারে৷ যৌন প্রদাহ, জরায়ুতে সংক্রমণ হতে পারে৷ পিরিয়ড নিয়মিত না হওয়াসহ অনেক রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে৷ এগুলোকে আমরা সব সময় নিরুৎসাহিত করি৷


গর্ভপাতের অনেকগুলি কারনের মধ্যে একটি হল গর্ভকালের প্রথম ১২ সপ্তাহের মধ্যে চোষণ যন্ত্রের মাধ্যমে গর্ভপাত ঘটানো হয়ে থাকে। পরবর্তীকালে গর্ভপাত মায়ের মারাত্মক ক্ষতি এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে।

ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী জীবনযাত্রা ভালো করতে হবে এবং প্রাকৃতিক উপায়ে হলে ক্ষতি তুলনামূলক কম।সাধারণত তলপেটের আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে খুব সহজেই গর্ভপাত শনাক্ত করা যায় ★মায়ের নানা রকম শারীরিক সমস্যা যেমন-ডায়াবেটিস, উচ্চরক্ত চাপ, থাইরয়েড সমস্যা, ভাইরাল ইনফেকশন ইত্যাদি কারনে গর্ভপাত হতে পারে।

(সূত্র: বিভিন্ন ওয়েবসাইট)