গাজার প্রভাব কতদিন থাকে,মেডিসিন ও স্বাস্থ্য টিপস

গাজার প্রভাব কতদিন থাকে , মাদক খাওয়ার মাধ্যমে, ধোঁয়া আকারে, ইঞ্জেকশন আকারে কিংবা অন্য যে কোনো উপায়েই হোক না কেন, দেহে গ্রহণ করার পর তার প্রভাব বেশ কিছুক্ষণ থেকে যায়।অভিজ্ঞতাদের পরামর্শ অনুযায়ী   এছাড়া ড্রাগটি দেহে গ্রহণ করার পর সঙ্গে সঙ্গে তা দেহের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়া শুরু হয়। এটি দেহের রক্ত, মূত্র ইত্যাদিতেও পাওয়া যায়।

গাজার প্রভাব কতদিন থাকে



আপনি শখের বসে কোন মাদক গ্রহণ করলেন এবং ভাবলেন কেউ দেখেনি তাই কেউ এই বিষয়টি কেউ জানবে না। আবার অনেকেই ভাবে নেশা কেটে গেলেই বুঝি দেহ থেকে মাদক বের হয়ে যাবে,কেউ আর ধরতে পারবে না। তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন! অভিজ্ঞতাদের পরামর্শ অনুযায়ী  ডোপ টেস্ট করলে খুব সহজেই ধরা পরবে আপনি কতদিন আগে কি ধরণের এবং কি পরিমাণ মাদক গ্রহণ করেছিলেন।

আপনার দেহ থেকে প্রসাব,রক্ত,চামড়া,লালা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে মাদকের উপস্থিতি সনাক্ত করা সম্ভব। এমনকি চুলে পরীক্ষা করেও মাদকের উপস্থিতি সনাক্ত করা যায়। অভিজ্ঞতাদের পরামর্শ অনুযায়ী  তাহলে শুরু করা যাক আজকের আলোচনা কোন মাদক দেহে কতদিন থাকে?

গাজার প্রভাব বলতে আপনার শরিরে কার্যকারীতা থাকবে ম্যাক্সিমাম ২৪ ঘন্টা।



আর ইয়াবার কার্যকরীতা ৪৮ ঘন্টা ম্যাক্সিমাম।



তবে এদের দীর্ঘকাল সেবন করলে আপনার শরীরের ভাঙন হবে।আর আপনার আশক্তি কাটানোর জন্য অন্তত ৩-৬ মাস দূরে থাকতে হবে।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন

কিছু মাদক দেহ থেকে কয়েক দিন পর চলে যায়। অভিজ্ঞতাদের পরামর্শ অনুযায়ী  যেমন হেরোইন গ্রহণের তিন থেকে পাঁচ দিন পর তা আর মূত্র পরীক্ষায় পাওয়া যায় না।

বিভিন্ন মাদকের মধ্যে বিশ্লেষণে দেখা যায়, এলএসডি রক্তে দ্রুত কাজ করে এবং দ্রুত সে প্রভাব মিলিয়ে যায়।

এর পরের স্থানে রয়েছে মরফিন ও হেরোইন। গবেষকরা বলছেন, এলএসডি মাত্র তিন ঘণ্টা রক্তে থাকে, মরফিন থাকে আট ঘণ্টা এবং হেরোইন, অ্যামফিটামাইন ও অ্যালকোহল থাকে ১২ ঘণ্টা। এছাড়া মিথামফিটামাইনস ৩৭ ঘণ্টা, এমডিএমএ, কোকেন, বার্বিটুরেটস থাকে ৪৮ ঘণ্টা।

তথ্যসূত্র: হেলথলাইন