ধৈর্য নিয়ে কোরআনের উক্তি,নির্বাচিত ইসলামিক কিছু কথা স্ট্যাটাস ক্যাপশন

ধৈর্য নিয়ে কোরআনের উক্তি ()
ধৈর্য নিয়ে কোরআনের উক্তি ()

ধৈর্য নিয়ে কোরআনের উক্তি

ধৈর্য একটি মূল্যবান গুণ যা কোরআনে প্রশংসিত এবং সার্বজনীনভাবে মানা হয়েছে। কোরআনের মধ্যে ধৈর্য সম্পর্কে বিভিন্ন উক্তি প্রদর্শিত হয়েছে, যা মানুষকে জীবনের বিভিন্ন প্রসঙ্গে ধৈর্য ধারণ করতে উৎসাহিত করে। নিম্নলিখিত কিছু উদাহরণ রয়েছে:

“ও সবর করো, তোমরা হক্ষ্য করা গিয়েছে কিন্তু তা সবসময় ভোগ করতে পারবেন না, এবং আসলে সবর করা বেশ ভাল যেন তোমরা ভালোবাসা করও, হোস্টেসের মধ্যে সমঝদারি ব্যক্ত করও এবং দয়ালু হোক। সবরকরের মধ্যে শক্তি আছে।” (সূরা আল ইমরান 3:134)

“তোমাদের মধ্যে আমার অনুযায়ী বিশেষ স্থলে অবস্থান করার জন্য করিমীদের মাঝে আমি ধৈর্যশীলতা এনেছি এবং তাদের অভ্যন্তরীণ পুরোটা বাহ্যিক কাজে অতিশয় শক্তি দেয়া হয়েছে।” (সূরা বকারাহ 2:247)

“আর যারা তাদের প্রভাবে সাবর করতে পারে, তারা কিন্তু অবশ্যই মৃত্যুর পক্ষে শক্তি প্রদর্শন করে না।” (সূরা আল আনকাবুত 29:58)

“তারা তাদের প্রভাবে সাবর করলে তারা কিন্তু যোগ্য পুরুষ হয়ে উঠে এবং তাদের অভ্যন্তরীণ পুরোটা প্রয়াস করে তারা পরিশ্রমশীলদের মধ্যে অতিশয় শক্তি দেয় এবং তারা যারা প্রমাণিত পক্ষে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেয় এবং তারা তাদের প্রভাবে সাবর করার সময় দোয়া করতে ব্যক্তিগতভাবে অনুরোধ করে তাদের প্রভাবে সাবর করে তাদের দোয়া করে এবং তাদের সমর্থন করতে এটা সহায়ক।” (সূরা আল বকারাহ 2:250)

এই উদাহরণগুলি মূল্যবান প্রতিষ্ঠান করে যে কোরআন বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণ করার গুরুত্ব বোধ করতে উত্সাহিত করে। ধৈর্য একটি গুণ যা একজন মুস

 

 

ধৈর্য নিয়ে ১০ টি কোরআনের উক্তি

ধৈর্য নিয়ে কোরআনের প্রস্তুতি অনেকগুলি। এই মধ্যে, একের কথা মনে রাখা আপনার জীবনে ধৈর্য বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে। এখানে কোরআনের ১০টি ধৈর্য সংক্ষেপস্থান রয়েছে:

“সততা এবং সাবর প্রয়োজন।” (সূরা আল আলইমরান 3:200)

“যে লোকগণ আল্লাহর স্বর্গীয় সহায়কে প্রতীক্ষা করতে থাকে, তারা যুবতী যুগের ভিত্তি পক্ষে ধৈর্য দেখানোর জন্য অন্যদের সাথে একত্রিত করা হয়।” (সূরা আল বাকারাহ 2:153)

“যখন মৃত্যু তাদের পক্ষে প্রস্তুত হয়, তাদের বক্তৃতা দেখানো হয়ে যায় কেন তারা আমার প্রস্তুতিকে দেখতে পান না, সম্প্রসারণ পেয়েছে এবং প্রয়োজন হয়েছে ধৈর্য দেখানোর জন্য।” (সূরা আল বাকারাহ 2:249)

“আর সততা এবং সাবর করার জন্য এবং আল্লাহ তাৎপর্যভুক্ত।” (সূরা আন নিসা 4:36)

“তুমি মিথ্যা বক্তা হয়ে এলেও কিন্তু আমি আমার সত্য আগামীতে দেখানোর জন্য ধৈর্যশীল থাক।” (সূরা মুয়াম্মদ 47:35)

“কে অন্তর্ভুক্ত থাকে, সততা আবিষ্ট থাকে, এটি সেই সত্য, আবিষ্কার হয়েছে, যারা প্রস্তুতি দেয় এবং যারা সাবর দেখানোর জন্য প্রস্তুত করেছে।” (সূরা লৈল 92:3-7)

“তোমরা প্রয়োজনে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া প্রাণীদের মধ্যে ধৈর্যশীল হয়ে থাকো এবং নামায আদায় করো।” (সূরা বকারাহ 2:45)

“যে লোকগণ আল্লাহর সাথে সঙ্গত হয়ে বাড়িতে ফিরে আসে, তারা খুশী হয়ে বড় পুরষ্কার পান এবং সমস্ত শান্তি এবং ধৈর্যের জন্য তাদের প্রত্যাশা পূর্ণ হয়ে যায়।” (সূরা হূদ 11:11)

“মৃত্যুর পক্ষে প্রস্তুতি পেলেও সবসময় ধৈর্য ধারণ করো,

ধৈর্য নিয়ে কোরআনের উক্তি
ধৈর্য নিয়ে কোরআনের উক্তি

ধৈর্য নিয়ে ইসলামিক উক্তি

ইসলামিক উক্তি অনেকগুলি ধৈর্য নিয়ে রয়েছে, যা মুসলিম ভক্তদের জীবনে ধৈর্য বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে। নিম্নলিখিত কিছু প্রমুখ ইসলামিক উক্তি রয়েছে:

“ও আমরা বিভিন্ন পরীক্ষায় তোমাদের প্রস্তুত করব। এবং নিশ্চয় আমরা তোমাদের সময়ের কমিয়ে আল্লাহের মুখাপেষায় আমরা তোমাদের মমত্বে কিছু কমতে পারি না।” (সূরা বাকারাহ 2:155)

“সবসময় আল্লাহের সাথে ধৈর্যশীল থাকো, কারণ কয়েকটি বিপদ সাধারণ সাধারণ পর্যাপ্ত হয় বা কিছুটা বেশি পারিশ্রমিক প্রয়োজন হয় তার জন্য আমি সাথে ছাড়াতে পারি না।” (সূরা তালাক 65:2-3)

“তোমরা ভোগবলী, যদিও কিছু লাভ পাওয়া নেই, তবুও সততা দেখাও, কারণ সততা আপনাদের স্বর্গীয় সহায়ক তথা সৎবিধবা, সন্তানহীন ও মাসিকার প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য সুযোগ দেয় এবং তোমাদের অভ্যন্তরীণ পুরোটা বাহ্যিক কাজে অত্যন্ত শক্তি দেয়।” (সূরা নিসা 4:128)

“তোমরা মনোনিবেশ করও, তারা অতএব তোমাদের মৃত্যুর পক্ষে প্রস্তুত হয়েছে কিন্তু তোমরা মনোনিবেশ করো। আমি সব কিছু জানি এবং আপনাদের অভ্যন্তরীণ পুরোটা বাহ্যিক কাজে অত্যন্ত শক্তি দেয়।” (সূরা হুদ 11:123)

“তোমাদের মধ্যে আমার অনুযায়ী বিশেষ স্থলে অবস্থান করার জন্য করিমীদের মাঝে আমি ধৈর্যশীলতা এনেছি এবং তাদের অভ্যন্তরীণ পুরোটা বাহ্যিক কাজে অত্যন্ত শক্তি দেয়া হয়েছে।” (সূরা বকারাহ 2:247)

“তোমরা মমত্বে ধৈর্যশীল হও এবং নিশ্চয় আমরা তোমাদের মমত্বে কিছু কমতে পারি না।” (সূরা বাকারাহ 2:143)

“আর সততা এবং সাবর করার জন্য এ

 

 

ধৈর্য নিয়ে ১০ টি ইসলামিক উক্তি

ইসলামিক উক্তি অনেকগুলি ধৈর্য নিয়ে রয়েছে, যা মুসলিম ভক্তদের জীবনে ধৈর্য বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে। নিম্নলিখিত কিছু ইসলামিক উক্তি রয়েছে:

“ও আমরা বিভিন্ন পরীক্ষায় তোমাদের প্রস্তুত করব। এবং নিশ্চয় আমরা তোমাদের সময়ের কমিয়ে আল্লাহের মুখাপেষায় আমরা তোমাদের মমত্বে কিছু কমতে পারি না।” (সূরা বাকারাহ 2:155)

“সবসময় আল্লাহের সাথে ধৈর্যশীল থাকো, কারণ কয়েকটি বিপদ সাধারণ সাধারণ পর্যাপ্ত হয় বা কিছুটা বেশি পারিশ্রমিক প্রয়োজন হয় তার জন্য আমি সাথে ছাড়াতে পারি না।” (সূরা তালাক 65:2-3)

“তোমরা ভোগবলী, যদিও কিছু লাভ পাওয়া নেই, তবুও সততা দেখাও, কারণ সততা আপনাদের স্বর্গীয় সহায়ক তথা সৎবিধবা, সন্তানহীন ও মাসিকার প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য সুযোগ দেয় এবং তোমাদের অভ্যন্তরীণ পুরোটা বাহ্যিক কাজে অত্যন্ত শক্তি দেয়।” (সূরা নিসা 4:128)

“তোমরা মনোনিবেশ করও, তারা অতএব তোমাদের মৃত্যুর পক্ষে প্রস্তুত হয়েছে কিন্তু তোমরা মনোনিবেশ করো। আমি সব কিছু জানি এবং আপনাদের অভ্যন্তরীণ পুরোটা বাহ্যিক কাজে অত্যন্ত শক্তি দেয়।” (সূরা হুদ 11:123)

“তোমরা মমত্বে ধৈর্যশীল হও এবং নিশ্চয় আমরা তোমাদের মমত্বে কিছু কমতে পারি না।” (সূরা বাকারাহ 2:143)

“আর সততা এবং সাবর করার জন্য এবং আল্লাহ তাৎপর্যভুক্ত।” (সূরা আন নিসা 4:36)

“যে লোকগণ আল্লাহর সাথে সঙ্গত হয়ে বাড়িতে ফিরে আসে, তারা খুশী হয়ে বড় পুরষ্কার পান এবং সমস্ত শান্তি এবং ধৈর্যের জন্য তাদের প্রত্যাশা পূর্ণ হয়ে

 

 

শেষ কথা

ধৈর্য ইসলামে একটি গুণ যা সংগঠিত ও পরিপ্রেক্ষিত জীবন ব্যক্তিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ধৈর্য দেখানো মানে কঠোর পরীক্ষা, কষ্ট বা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও নিশ্চয়তা এবং সাব্যস্ততা বজায় রাখা। ইসলামে ধৈর্য দেখানো হলো মসজিদের ইমামদের উপদেশ থেকে খোদ প্রভুর কাছে প্রার্থনা করতে এবং অন্যদের সহায়তা করার মাধ্যমে ধৈর্য দেখানো। সঠিক ধৈর্য এবং ত্যাগের সাথে আপনি আপনার দৈনিক জীবনে সম্পর্কিত বিভিন্ন সময়ে মুক্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন।

ধৈর্য বৃদ্ধি করার জন্য ইসলামিক উক্তির মধ্যে কিছু উদাহরণ হলো:

“তুমি মিথ্যা বক্তা হয়ে এলেও কিন্তু আমি আমার সত্য আগামীতে দেখানোর জন্য ধৈর্যশীল থাক।” (সূরা মুয়াম্মদ 47:35)

“তোমরা ভোগবলী, যদিও কিছু লাভ পাওয়া নেই, তবুও সততা দেখাও, কারণ সততা আপনাদের স্বর্গীয় সহায়ক তথা সৎবিধবা, সন্তানহীন ও মাসিকার প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য সুযোগ দেয় এবং তোমাদের অভ্যন্তরীণ পুরোটা বাহ্যিক কাজে অত্যন্ত শক্তি দেয়।” (সূরা নিসা 4:128)

“আর সততা এবং সাবর করার জন্য এবং আল্লাহ তাৎপর্যভুক্ত।” (সূরা আন নিসা 4:36)

“তোমরা মনোনিবেশ করও, তারা অতএব তোমাদের মৃত্যুর পক্ষে প্রস্তুত হয়েছে কিন্তু তোমরা মনোনিবেশ করো। আমি সব কিছু জানি এবং আপনাদের অভ্যন্তরীণ পুরোটা বাহ্যিক কাজে অত্যন্ত শক্তি দেয়।” (সূরা হুদ 11:123)

“আর সততা এবং সাবর করো, আর নিশ্চয়ই সততা ভালো হয়।” (সূরা নাহল 16:126)