পুরুষের শুক্রানু কাউন্ট কত,বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও মেডিসিন টিপস

পুরুষের শুক্রানু কাউন্ট কত , স্পার্ম কাউন্টের সাধারণ মাত্রা প্রতি মিলিলিটার সিমেনে দেড় কোটি থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২০ কোটি পর্যন্ত।বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিকভাবে নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং  আর এই সংখ্যাটা দেড় কোটির কম হওয়া মানেই sperm count কম। এমনকি বীর্যপাতের সময় সেই সংখ্যা ৩ কোটি ৯০ লক্ষের কম হওয়ার অর্থও স্পার্ম কাউন্ট কম। এই কম স্পার্ম কাউন্টকে বলাহয় অলিগস্পার্মিয়া।

পুরুষের শুক্রানু কাউন্ট কত




স্পার্ম কাউন্ট টেস্টে একজন পুরুষ পিতা হতে সক্ষম কিনা তা নির্ণয় করা যায়। শুক্রাণুর কম সংখ্যা বলতে বোঝায়, বীর্ষে নমুনাতে প্রত্যাসিত মানের চেয়ে কম পরিমাণে শুক্রাণু রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিকভাবে নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং একজন ব্যক্তির শুক্রাণুর সংখ্যা কম , তা বোঝার জন্য কোনও উপসর্গ দেখা দেয় না ।

সমীক্ষায় জানা যায়, ২০-৩০ শতাংশ পুরুষের বীর্য়ে ত্রুটির কারণে শুক্রাণুর সংখ্য়া কম হয়। রোগীর জীবনধারা, অভ্যাস ও পেশাগত দিক থেকে ইতিহাস পর্যালোচনা করা হলে এর প্রকৃত কারণ প্রকাশ্যে আসে।



একটি নির্দিষ্ট পরিমান পর্যন্ত কাউন্ট ওষুধের মাধ্যমে ঠিক করা সম্ভব। ইন্টারনেটে অনেক খাবারের কথা বলা আছে যার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নাই যে এই খাবারগুলো কাউন্ট বাড়াতে সাহায্য করে।




সাধারণত এই সমস্যার কোনও উপসর্গ থাকে না। তবে কিছু কিছু শারীরিক সমস্যা তৈরি হয়।বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিকভাবে নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং  দীর্ঘদিন ধরে অসুরক্ষিত যৌন সংঙ্গমের পরেও সন্তান ধারণে অসমর্থ হলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এছাড়া যৌন সঙ্গমে পুরুষের অনিচ্ছা, গোপনাঙ্গ ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা যায়।




পুরুষের বীর্যরস (সিমেন) সংগ্রহ করে তা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয় সিমেন অ্যানালাইসিস টেস্টে (সেমিনোগ্রাম বা স্পার্মিওগ্রাম)। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিকভাবে নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং মূলত বীর্যরসের শারীরবৃত্তিয় বৈশিষ্ট্য (রঙ, গন্ধ, পিএইচ, সান্দ্রতা বা ভিসকোসিটি এবং তরলতা), শুক্রাণুর সংখ্যা (কনসেনট্রেশন), আকার (মরফোলজি) ও গতিশীলতার (মোটিলিটি) বিশ্লেষণ করা হয় এই পরীক্ষায়।




শরীররচর্চা- শুক্রাণুর সংখ্যা কম হলে নিয়মিত শরীরচর্চা করার অভ্যেস করুন। নিয়মিত যোগ- ব্যায়ামের কারণে ওজন কমে যাওয়া, সুস্থ ও ফিট তাকে শরীর। ১৬টি সপ্তাহে তিনবার করে ৫০ মিনিট করে অ্যারোবিক্স এক্সারসাইজ করলে শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।



পর্যাপ্ত ঘুম- শরীর সুস্থ রাখতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত ও গভীর ঘুম। এতে স্পার্মের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। ভাল ঘুমালে স্ট্রেসের পরিমাণ কমে যায়।

অণ্ডকোষে শুক্রাণু উৎপাদন সেমিনিফেরাস টিউবুলস নামক কুণ্ডলীকৃত কাঠামোতে সঞ্চালিত হয়। প্রতিটি অণ্ডকোষের শীর্ষ বরাবর এপিডিডাইমিস থাকে। এটি একটি কর্ডের মতো গঠন যেখানে শুক্রাণু পরিপক্ক হয় এবং সংরক্ষণ করা হয়। লিঙ্গ রক্তে ভরে গেলে এবং খাড়া হয়ে গেলে মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়



স্ট্রেস এড়িয়ে যাওয়া- যে কোনও স্ট্রেসই গোটা শরীরের উপর নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট ফেলে।বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিকভাবে নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং  শরীরের চারিপাশ থেকে নেগেটিভ ভাইভস দূর করতে ও চিন্তামুক্ত থাকতে রিল্যাক্সিং হাঁটা, সাঁতার কাটা, ব্রিদিং এক্সারসাইজ করতে পারেন। স্ট্রেস ও স্পার্ম কাউন্টের সম্পর্ক রয়েছে। তাই যতটা সম্ভব অবসাদ, উদ্বেগ ও স্ট্রেস থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করেন।



ধূমপান ও তামাক চিবানো পরিত্যাগ করলে উপকার পাবেন দ্রুত।
– শুক্রাণুর সংখ্যা কম হলে জীবনদারার পরিবর্তন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

(সূত্র: বিভিন্ন ওয়েবসাইট)