প্রতিদিন সহবাস করলে কি হয়,অভিজ্ঞতাদের পরামর্শ অনুযায়ী

প্রতিদিন সহবাস করলে কি হয় ,প্রতিদিন মিলনের ফলে শরীরে কি কি উপকার হয় জানলে অবাক হবেন…জানুন এক্ষুনি

 

সহবাস করলে শরীরে ক্ষতিকর জীবানু বাসা বাধতে পারে না। গবেষকরা রীতিমতো পরীক্ষা করে জানিয়েছেন, যারা সপ্তাহে অন্তত দুবার সহবাস করেন, তাদের শরীরে ক্ষতিকর জীবানু তুলনায় কম থাকে। তাই শরীরের জীবানু রুখতে হরদম সহবাস করুন নিজের সঙ্গী অথবা সঙ্গীনীর সঙ্গে।

 

প্রতিদিন সহবাস করলে কি হয়



যত বেশি সহবাস করেবন, তত বেশি সহবাস করার জন্য সক্ষম হবেন। কোনও কাজ নিয়মিত করলে, তাতে আপনার দক্ষতা বাড়ে। এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। তাহলে সহবাস এর ব্যিতক্রম হবে কেন? তাই নিয়মিত সহবাস মানে আরও সহবাস করার জন্য পটু হয়ে ওঠা।


ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সকালে সহবাস অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ সকালে সহবাস করলে ৩০০ ক্যালোরি এনার্জি খরচ হয় যার ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও হাড় মজবুত করতে সকালের সহবাস বিশেষ ভূমিকা রাখে। সকালে সহবাসের কারণে মানসিক সুখ পায়। সেজন্য চুল ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় কারণ এসময় ইস্ট্রোজেন ও অন্যান্য হরমোন ক্ষরণ হয়ে থাকে।



সহবাস করলে মেয়েদের অভ্যন্তরীন অঙ্গ এবং পেশী সচল থাকে। রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়। জিমে গিয়ে শরীরের বাইরের দিক তো সুঠাম করে তোলা যায়। কিন্তু শরীরের ভেতরের দিককেও ভাল রাখতে দরকার নিয়মিত সহবাস।



ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ সেক্সুয়াল মেডিসিনের প্রকাশিত এক গবেষণায় জানা গেছে যে, সহবাসের সময় ৭ থেকে ১৩ মিনিট পর্যন্ত হয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞরা এক সমীক্ষায় দেখেছেন যে সহবাসের জন্য ৩ মিনিটের পর থেকে আদর্শ সময়।

 

অন্য এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, সহবাসের জন্য শরীরের রং , যৌন বিষয়ক শিক্ষা , অঞ্চল ভেদে সহবাসের সময় নির্ধারিত হয়ে থাকে। ভারত , বাংলাদেশ , মায়ানমার , এই সকল দেশের মানুষের সহবাসের সময় গড়ে ৪ মিনিট। একজন সুস্থ নারী এবং পুরুষের জন্য .৩ থেকে ১৩ মিনিট সহবাস করা উচিত।

 


অতিরিক্ত সঙ্গমের ফলে যোনীদ্বার ক্ষত বিক্ষত ও জরায়ু দুর্বলহইয়া যায়।সুতরাং জরায়ুতে পুরুষের বীর্য স্হির থাকিতে পারে না।তাহার ফলে সন্তান উৎপাদনসুদূরপরাহত হইয়া উঠে।তাহা ছাড়া যোনীর শিরা গুলি ঢিলা হইয়া পড়ে।যার কারণে স্বামী স্ত্রী উভয়েই সুখঅনুভব করতে পারেনা।

 

 

বরং স্ত্রীর নিকট যন্ত্রনার কারনহয়ে দাঁড়ায়।এমন অবস্হায় স্ত্রীর কঠিন রোগহইয়া পড়ে।শরীর কল্কালসারহয়,চেহারা বিশ্রী হইয়া যায়।এবং অনিয়মিত হায়েজ ও পরিপাকশক্তি হ্রাস পায়।এই ভাবে স্ত্রীর জীবন বিপজ্জনকহইয়া উঠে।পুরুষের শারীরিক অবস্থারঅবনতি ঘটিলে সেই সঙ্গে মানসিকঅবস্থার ও অবনতি সংঘটিত হয়,পড়ে উহা প্রকৃত অবস্থায় আনিতে বহুসমস্যার সৃষ্ট হয়।

 

 

অত্যাধিক শুক্র ক্ষয়েরফলে পুরুষত্বহানির আশঙ্কা হইয়া থাকে।ক্রমে ক্রমে ধাতু দুর্বলতা ,শুক্রতারুল্য, জননেন্দ্রিয়ের শিথিলতা,মাংসেপেশরি অবসন্নতা, প্রমেহ, ঘূর্ণনইত্যাদি দুরারোগ্য ব্যাধি হতে পারে।

(সূত্র: বিভিন্ন ওয়েবসাইট)