ফেরেশতারা কিসের তৈরি

ফেরেশতারা কিসের তৈরি , ফেরেশতারা সর্বদা আল্লাহর স্মরণে মগ্ন থাকেন। তাসবিহ পাঠের (আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা) মাধ্যমে তাঁরা আল্লাহকে স্মরণ করেন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী,মনীষীরা এই জীবন যাত্রার মানকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছে এবং  পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়, ‘ফেরেশতারা আল্লাহর সপ্রশংস তাসবিহ পাঠ করে।’ (সুরা : আশ-শুরা, আয়াত : ৫) অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘তারা দিন-রাত তাসবিহ পাঠ করে। তারা ক্লান্ত হয় না।’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ২০)

ফেরেশতারা কিসের তৈরি



আর ফেরেশতারা আল্লাহর যে তাসবিহ ও পবিত্রতা ঘোষণা করেন, তা নিঃসন্দেহে আল্লাহর শ্রেষ্ঠতম স্মরণ। হজরত আবু জর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়, কোন জিকিরটি উত্তম? তিনি বলেন, আল্লাহ যা তাঁর ফেরেশতা ও বান্দাদের জন্য নির্বাচন করেছেন—সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি। অর্থ : আল্লাহ পূতপবিত্র এবং সব প্রশংসা শুধু তাঁর জন্যই। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৪৯১৬)


আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি জগতের জন্য যত রহমত বা শাস্তি নাজিল করেন, তাও ফেরেশতাদের মাধ্যমেই নাজিল করেন। ফেরেশতাদের মাধ্যমেই আল্লাহ তাআলা নবি-রাসুলগণের নিকট আসমানি কিতাব ও প্রত্যাদেশ প্রেরণ করছেন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী,মনীষীরা এই জীবন যাত্রার মানকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়েছে 

আল্লাহ তাআলা বান্দার আমলনামা লিখার কাজে ফেরেশতাদের নিযুক্ত করেছেন। ফেরেশতারাই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি পঠিত দরূদ ও সালাম তাঁর নিকট পৌছান। করান।



আল্লাহ ইরশাদ, ‘…কেউ আল্লাহ, তার ফেরেশতা, তার কিতাবসমূহ, তার রাসুলগণ ও পরকালে বিশ্বাস না করলে সে তো মারাত্মকভাবে পথভ্রষ্ট হয়ে পড়বে। ’ (সুরা নিসা, আয়াত : ১৩৬)



ফেরেশতাদের সম্মানের কথা উল্লেখ করে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘(এ কোরআন) মহান, পূত-পবিত্র লিপিকরের ( ফেরেশতার) হাতে লিপিবদ্ধ। ’ (সুরা আবাসা, আয়াত : ১৫-১৬)



ফেরেশতা সৃষ্টির ব্যাপারে হাদিস শরিফে এসেছে, ‘ফেরেশতাদের সৃষ্টি করা হয়েছে, আল্লাহর নুর বা ঐশী আলো থেকে। ’ (মুসলিম শরিফ, হাদিস নং : ২৯৯৬)


ফেরেশতার মাধ্যমেই বান্দার মৃত্যুর সময় রূহ কবজ করান। দুনিয়াতে প্রয়োজনের প্রেক্ষিতে বৃষ্টি বর্ষণ করান ফেরেশতাদের মাধ্যমে। দুনিয়াতে মুমিন বান্দার জন্য মাগফিরাত কামনায় তিনি ফেরেশতা নিযুক্ত করে রেখেছেন।

(সূত্র: বিভিন্ন ওয়েবসাইট)