মাগরিবের কসর নামাজ কত রাকাত,ইসলামিক টিপস

মাগরিবের কসর নামাজ কত রাকাত, কসরের হুকুম শুধুমাত্র ফরয নামাজগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে ফজর ও মাগরিব ব্যতিত। সঠিকভাবে নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং এই দুই নামাজে কসর করা যাবে না।


বিতরের নামাজের হুকুমও এইদুটোর মতোই, অর্থাৎ এটাতেও কসর করা যাবে না।সঠিকভাবে নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং  বিতরের নামাজ যদিও ফরয নয়, তারপরও এটা ওয়াজিব হওয়ার কারণে যেহেতু ফরযের মতোই গুরুত্বপূর্ণ অর্থাৎ পড়তেই হবে, তাই এর কথাও ফরযের পাশাপাশি বলা হয়। কিন্তু এটা ফরয না হওয়ায় কসর করা যাবে না।

মাগরিবের কসর নামাজ কত রাকাত



মুসাফির চার রাকাআত বিশিষ্ট ফরজ নামায দুই রাকাআত পড়বে এটাকে কসর নামাজ বলে। মুসাফিরের জন্য নামাজ কসর করা ওয়াজিব।সঠিকভাবে নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং  মুসাফির অবস্থায় যোহর, আসর এবং এশার নামাজ ফরজ চার রাকাআতের স্থলে দুই রাকাআত পড়ার নির্দেশ রয়েছে। ফজর এবং মাগরিবের নামাজে কোন কসর নেই।

ইসলামিক টিপস



আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘আল্লাহতায়ালা তোমাদের নবীর মুখে নামাজকে মুকিম অবস্থায় চার রাকাত ও সফর অবস্থায় দুই রাকাত ফরজ করেছেন।’ (মুসলিম, হাদিস: ৬৮৭)


আর সুন্নাতে মুআক্কাদা ও অন্যান্য নফলের ব্যাপারে কথা হলো, সঠিকভাবে নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং এগুলোতে কোনো কসর চলবে না কারণ এগুলো তো ফরয নয়। সঠিকভাবে নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং  যদি হাতে পর্যাপ্ত এতটুকু সময় থাকে যাতে সুন্নাত ও নফল ইত্যাদি নামাযগুলোও পড়ে নেওয়া যাবে, তাহলে চার রাকাতের সুন্নাত ও নফলগুলো চার রাকাতই পড়তে হবে, দুই রাকাত পড়া যাবে না।

মুসাফির ব্যক্তির জন্য চলন্ত অবস্থায় বা তাড়াহুড়া থাকলে ফজরের সুন্নত ছাড়া অন্যান্য সুন্নাতে মুয়াক্কাদা না পড়ার সুযোগ রয়েছে।সঠিকভাবে নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং  তবে স্বাভাবিক ও স্থির অবস্থায় সুন্নত নামাজ আদায় করবে। (ইলাউস্ সুনান: ৭/১৯১, রদ্দুল মুহতার : ১/৭৪২)

(সূত্র: বিভিন্ন ওয়েবসাইট)