মাথায় এলার্জি ঔষধ,ডাক্তারের পরামর্শ ও স্বাস্থ্য টিপস

মাথায় এলার্জি ঔষধ , আপনার মাথার ত্বকে ক্লোবেক্সের মতো টপিকাল কর্টিকোস্টেরয়েডযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করুন । হাইড্রোজেন পারক্সাইড প্রয়োগ করুন।ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী জীবনযাত্রা ভালো করতে হবে এবং  এটি একটি হালকা অ্যান্টিসেপটিক এবং ত্বককে শান্ত করতে এবং জ্বালা এবং ফোসকা কমাতে সাহায্য করতে পারে। ত্বকের প্রদাহ এবং চুলকানি কমাতে সাহায্য করার জন্য একটি মৌখিক অ্যান্টিহিস্টামিন নিন, যেমন বেনাড্রিল।

মাথায় এলার্জি ঔষধ




আপেল সিডার ভিনিগার হচ্ছে অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টি ইনফ্লামেটারি ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল গুণসমৃদ্ধ।ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী জীবনযাত্রা ভালো করতে হবে এবং  ত্বকের শুষ্কতাই যদি আপনার মাথা চুলকানোর কারণ হয়, তা হলে আপেল সিডার ভিনিগার আর পানির মিশ্রণ দিয়ে নিয়মিত মাথা পরিষ্কার করলেই উপকার পাবেন।

সেই সঙ্গে পানি পানের পরিমাণও বাড়াতে হবে। ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী জীবনযাত্রা ভালো করতে হবে এবং সপ্তাহে দুই দিন শ্যাম্পুর পর এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ আপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে মাথার তালুতে ভালো করে লাগান। তারপর ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন।

ডাক্তারের পরামর্শ ও স্বাস্থ্য টিপস


এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি দেখা যায়। * ত্বকের ফুসকুড়ি (Skin rash) * শুষ্ক খসখসে ত্বক (Skin dryness, peeling, scaliness, or roughness) * অস্বাভাবিক ত্বক (Abnormal appearing skin) * ত্বকে চুলকানি (Itching of skin) * মাথার অস্বাভাবিক ত্বক (Irregular Appearing scalp) * মাথার ত্বকে চুলকানি (Itchy scalp) * ব্রণ/পিমপল (Acne or pimples) * ত্বকের ক্ষত (Skin lesion) * চুল পড়ে যাওয়া (Too little hair) * ত্বকের বৃদ্ধি (Skin growth)


ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী জীবনযাত্রা ভালো করতে হবে এবং গরম পানি মাথার ত্বকের প্রয়োজনীয় তেল ধুয়ে ফেলে। ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় ও মাথা চুলকানোর সমস্যা হয়। ডাক্তারদের পরামর্শ অনুযায়ী জীবনযাত্রা ভালো করতে হবে এবং তাই চুল ধুতে ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করা উচিত। ঠাণ্ডা পানি ব্যবহারে সমস্যা হলে কুসুম গরম পানি (অল্প পরিমাণ গরম পানি, ঠাণ্ডা পানি বেশি) দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এতে মাথার ত্বকের চুলকানি কমে আসবে।


পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস: সুস্বাস্থ্যের পাশাপাশি সুস্থ ত্বকের জন্যেও পুষ্টিকর খাবার দরকার। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ভিটামিন এ, বি, সি এবং প্রচুর আয়রন সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। তাছাড়া প্রচুর পরিমাণে পানি পান করাও জরুরি। প্রতিদিন অন্তত দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করতে হবে।

 

(সূত্র: বিভিন্ন ওয়েবসাইট)