সাদা স্রাবের সাথে রক্ত যায় কেন,ডাক্তারের পরামর্শ ও ইসলামিক টিপস

সাদা স্রাবের সাথে রক্ত যায় কেন , হায়েয একটি পরিচিত তরল রক্ত। যেমনটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফাতেমা বিনতে হুবাইশকে বলেছেন: “নিশ্চয় হায়েযের রক্ত কালো রঙের পরিচিত রক্ত। সঠিকভাবে নিয়ম মেনে চলতে হবে, জীবনযাত্রা ভালো করতে হবে এবং যদি সেটা হয় তাহলে তুমি নামায ছেড়ে দিবে। আর যদি অন্য কোন রক্ত হয় তাহলে ওযু করে নামায পড়বে।

সাদা স্রাবের সাথে রক্ত যায় কেন




সাদা স্রাব অনেক ক্ষেত্রেই কমবেশি হতে পারে। গর্ভাবস্থা, হরমোনের পরিবর্তন বা যোনি সংক্রমণের কারণে স্রাবের পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।সঠিকভাবে নিয়ম মেনে চলতে হবে, জীবনযাত্রা ভালো করতে হবে এবং  এছাড়াও, এর রঙের পরিবর্তন রয়েছে এবং এটি একটি তীব্র গন্ধ সৃষ্টি করতে পারে।


সাদা স্রাব প্রায় সব মেয়েদেরই একটি প্রধান শারীরিক ও সমস্যা। যোনিপথে সাদা তরল পদার্থ নির্গত হওয়াকেই ডাক্তারী ভাষায় লিউকোরিয়াবা সাদা স্রাব বলে। স্বাভাবিকভাবে প্রত্যেক মেয়েদেরই ডিম্বনালী


সুনানে নাসাঈ (২১৬), আলবানী হাদিসটিকে সহিহু সুনানে নাসাঈ গ্রন্থে সহিহ বলেছেন]
হায়েযের কিছু আলামত রয়েছে; যা নারীদের অজানা নয়। রঙ হচ্ছে— কালো বা গাঢ় লাল। গন্ধ হচ্ছে— খারাপ। অনুরূপভাবে এটি ঘন। এ রক্তটি জরায়ু থেকে নির্গত হয়। তাই এটি এক ফোঁটা বা কয়েক ফোঁটা হয় না। কিংবা সুতার মত হয় না।সঠিকভাবে নিয়ম মেনে চলতে হবে, জীবনযাত্রা ভালো করতে হবে 

বৈজ্ঞানিকভাবে এই প্রতিকারগুলির কোনও প্রমাণ নেই, তবে দইতে জীবাণুগুলির বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা রয়েছে, যা শরীরে সংক্রমণ কমায়। তাই খাবারে দই ব্যবহার করে এই সমস্যা কমাতে পারেন।

সাদা স্রাবের সমস্যায় রসুনের কুঁড়ি সেবন খুব ভালো কাজ করে। যেসব নারীদের যোনিপথ থেকে সাদা স্রাবের সমস্যা রয়েছে, তারা সকালে ১ থেকে ২টি কাঁচা রসুনের কুঁড়ি খেতে পারেন। এটা অনেক পুরনো রেসিপি আগেকার দিনে ঠাকুমা-দিদিমারা এইভাবে উপায় বাতলাতেন।

ডাক্তারের পরামর্শ ও ইসলামিক টিপস

দি রমযানের দিনের বেলায় কোন নারীর শরীর থেকে সামান্য কয়েক বিন্দু রক্ত নির্গত হয় এবং গোটা রমযান মাসে এ ধরণের রক্তপাত অব্যাহত থাকে; কিন্তু সে রোযা রাখতে থাকে— তার রোযা কি সহিহ? জবাবে তিনি বলেন: হ্যাঁ; তার রোযা সহিহ। রক্তের এ বিন্দুগুলো কিছুই নয়।

কেননা এ রক্তগুলো শিরার রক্ত। আলী বিন আবু তালেব থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন: এ বিন্দুগুলো নাক দিয়ে পড়া রক্তের মত; হায়েয নয়। আলী (রাঃ) থেকে এমনটি উল্লেখ করা হয়।[সিত্তুনা সুআলান ফিল হায়েয (পৃষ্ঠা-৬)]

(সূত্র: বিভিন্ন ওয়েবসাইট)