সেহরি নিয়ে উক্তি ,স্ট্যাটাস, কবিতা

সেহরি নিয়ে উক্তি
সেহরি নিয়ে উক্তি

সেহরি নিয়ে উক্তি “সেহরি” বাংলা ভাষায় রোজার সময়কে বোঝায়। এটি ইসলামিক ধর্মে মুসলিম ব্রদরা রোজা রাখার সময়কে বোঝায়। রোজা সময় সাধারণত সূর্যাস্তের পরে শুরু হয় এবং ইফতার সময় সূর্যাস্তের আগে হয়। সেহরি সময়ে মুসলিম ব্রদরা সাহরি খাবার গ্রহণ করে এবং সাহরি সময় শেষ হওয়ার পর থেকে রোজা শুরু করে।

সেহরি নিয়ে উক্তি

 
সেহরি নিয়ে ইসলামিক ৬ টি উক্তি

সেহরি ইসলামিক ধর্মে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এর মাধ্যমে মুসলিম ব্রদরা রোজা রাখার পরিকল্পনা করেন। নিচে দশটি ইসলামিক উক্তি দেওয়া হল সেহরি সম্পর্কে:

১। “সেহরী করো আর কিছু বাড়ানোর জন্য আগে বেশি নেই।” – হাদীস, বুখারী

২। “সেহরী করো সে এক বরকতকে অর্জন করতে সাহায্য করে।” – হাদীস, আহমাদ

৩। “সেহরী করো আর পরম পিতার পক্ষে সূচনা কর যে, তোমরা আমার সুস্থ খাবার খেয়েছ।” – হাদীস, ইবন মাজাহ

৪। “সেহরী না করলে তোমরা অতিরিক্ত অগুন এর সমান পাকস্থলীতে থাকবে।” – হাদীস, তিরমিজী

৫। “সেহরী করা স্বস্তি এবং সফলতার কুন্ডল।” – হাদীস, তিরমিজী

৬। “সেহরী খেয়ে রোজা রাখলে আল্লাহ সুন্নাত মানেন।” – হাদীস, তিরমিজী

 

রোজা নিয়ে ইসলামিক উক্তি

রোজা ইসলামিক ধর্মে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এর মাধ্যমে মুসলিম ব্রদরা আল্লাহর নিকট নির্দেশ মেনে চলে এবং তাঁকে প্রতি সাল আদর্শ মুসলিম হিসাবে শান্তি, সদগুরুত্ব এবং প্রত্যাশার সাথে আমল করার সুযোগ দেয়। নিচে দশটি ইসলামিক উক্তি দেওয়া হল রোজা সম্পর্কে:

১। “রোজা আল্লাহর জন্য হল, এবং এর পুরস্কার আল্লাহর নিকট রয়েছে।” – হাদীস, বুখারী

২। “রোজা সে জন্য হল যিনি কারও নিমিত্তে বিকল করে না।” – হাদীস, বুখারী

৩। “রোজা সে জন্য হল যিনি সেহরি করে।” – হাদীস, তিরমিজী

৪। “রোজা সে জন্য হল যিনি লাভ করে আল্লাহর মর্জি থেকে সুন্নত রখে।” – হাদীস, তিরমিজী

৫। “রোজা সে জন্য হল যিনি অনুসরণ করে আল্লাহর নিজস্ব জন্য প্রয়োজনীয় কর্মসূচি পালন করে।” – হাদীস

 

সেহরি নিয়ে উক্তি
সেহরি নিয়ে উক্তি

রমজান নিয়ে হাদিস

রমজান মাস ইসলামিক ক্যালেন্ডারে প্রথম মাস। এই মাসে মুসলিম ব্রদরা নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে রোজা রাখে এবং ইবাদত করে আল্লাহর কাছে নির্দেশিত দিকে চলে যায়। নিচে কয়েকটি হাদিস রমজান সম্পর্কে:

১। “যে ব্যক্তি রমজানে নিদ্রা না করে এবং ইফতারের জন্য তাড়াহুড়ে না করে, তাঁর পুরস্কার আল্লাহ রাত্তিকালে দেন।” – হাদীস, তিরমিজী

২। “রমজান মাস হল সে মাস যা দুনিয়ার কোন একটি দিনের বিপরীত। এই মাসে আল্লাহর পক্ষে দুটি খুশি হয়: একটি খুশি যে, তাঁর ব্দন কমে যায় এবং অন্য খুশি যে, তাঁর ব্যাপারে আল্লাহ রহমত করেন।” – হাদীস, বুখারী

৩। “যে ব্যক্তি একটি রমজান পূর্ণ করে তার পূর্বের সকল গুনাহ মাফ হয়ে যায়।” – হাদীস, বুখারী

 

উপসংহার

আমি আপনার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সহায়তার চেষ্টা করেছি। যদি আর কিছু জানতে চান তবে আমি সদায় প্রস্তুত আছি আপনাকে সহায়তা করতে। ধন্যবাদ।