হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাচার উপায়,অভিজ্ঞতাদের পরামর্শ অনুযায়ী

হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাচার উপায় , হস্তমৈথুন বলতে এক কথায় যেটা বলা যায় তা হল, হাতের মাধ্যমে বিভিন্ন উপায়ে বির্যপাত করা। কখনো বা হাত ছাড়া ও বিভিন্ন জিনিসের মাধ্যমে বির্যপাত করে থাকে।



লিঙ্গের শিথিলতা।


দ্রুত বীর্যপাত ঘটতে দেখা যায় যার ফলে সংসার জীবনে নেমে আসে অশান্তি।


দৃষ্টিশক্তি কমে যায়।


স্মৃতিশক্তি কমে যায়। এর ফলে যেকোন ব্যাপার মানুষ দ্রুত ভুলে যায়।


পড়াশোনা এবং অন্যান্য কাজে কোনভাবেই মনোনিবেশ করা যায় না।


শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় বিভিন্ন রোগ ব্যাধি এসে বাসা বাধে।


শরীরের নার্ভাস সিস্টেম এবং ডাইজেস্ট সিস্টেম এর কার্যক্ষমতা হারাতে থাকে।


খাবার হজম ক্ষমতা কমে যাওয়ায় ক্ষুধামন্দা দেখা যায়।


শরীরের ওজন কমতে থাকে।


মানসিক বিকৃতি ও অস্থিতিশীলতা দেখা যায়।


শরীরে সর্বদা ঝিমুনী ভাব চলে আসে।


গবেষণায় দেখা গেছে যে অতিরিক্ত হস্তমৈথুনে বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা কমে যায়। জেনে রাখা ভালো যে সন্তান জন্মদানের জন্য বীর্যে শুক্রাণু দরকার হয়য় ২০ কোটি।


শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যাওয়ায় মেল ইনফারটিলিটি দেখা দেয়।


সবসময় মাথা ব্যাথা অনুভূত হয়।


বীর্য পাতলা হয়ে যায়। অল্প একটু উত্তেজনার বীর্য বের হয়ে আসে।


শারীরিক দুর্বলতা অনুভব করা।


ইরেকটাইল ডিসফাংশন।



অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যে ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে:



# অকাল বীর্যপাত(Premature Ejaculation)। অর্থাৎ খুব অল্প সময়ে বীর্যপাত ঘটে। ফলে স্বামী তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হয়। বৈবাহিক সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয় না।



# বীর্য পাতলা হয়ে যায় (Temporary Oligospermia)- Oligospermia হলে বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায়। তখন বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ২০ মিলিয়নের কম। যার ফলে Male infertility দেখা দেয়। অর্থাৎ সন্তান জন্মদানে ব্যর্থতা দেখা দিতে পারে। একজন পুরুষ যখন স্ত্রীকে রমন করেন তখন তার পুরুষাঙ্গ থেকে যে বীর্য বের হয় সেই বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা হয় ৪২ কোটির মত।

 


হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাচার উপায়




অতিরিক্ত হস্তমৈথূন্য জনিত সমস্যার একমাত্র সমাধান হল এটি থেকে দূরে থাকা। সার্বিক বিবেচনায় একজন মানুষের হস্তমৈথুন থেকে নিজেকে বিরত রাখা সবচেয়ে উত্তম। এটি একটি অভ্যাসজনিত কাজ এবং মাদকের নেশার মতো মারাত্মক। হস্তমৈথুন থেকে নিজেকে দূরে রাখতে নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন।

 


নিজ ধর্মীয় বিধি-নিষেধ মেনে চলার মাধ্যমে জীবন যাপন করুন।
সব সময় মানুষের মধ্যে থাকার চেস্টা করুন। কখনো একা একা থাকবেন না।
নিজেকে যথাসম্ভব কাজে ব্যস্ত রাখুন। শুধু শুধু বসে সময় কাটাবেন না।
সকাল বেলা দ্রুত ঘুম থেকে উঠে শরীর চার্চা করুন।
একটা নেশা কাটাতে আপনি আরেকটা ব্যবহার করতে পারেন। যেমন ভিডিও গেম খেলা বা কম্পিউটারে কাজ করা ইত্যাদি।
রাতে দেরি করে ঘুমাতে যান। এতে করে যতটুকু ঘুম হবে গভীর ঘুম হবে। রাতে জেগে থাকতে হবেনা।



হস্তমৈথুন কেন করে?


ছেলে মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার পরে তাদের শরীরে যৌনচেতনা বা চাহিদা বেড়ে যায় ফলে নিজেদের কে নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পেরে তারা এই জঘন্যতম কাজে জড়িয়ে পরে।



হস্ত মৈথুনের পর কি নামাজ হবে


না। হস্ত মৈথুন করলে ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী তার জন্য গোছল করা ফরজ হয়ে যায়। নামাজ পড়তে হলে অবশ্যই তাকে ফরজ গোছল করতে হবে।




মহিলাদের হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর দিক


মহিলাদের ও হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর দিক রয়েছে। পুরুষদের জন্য এটি সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় যখন কেউ অত্যধিক পরিমাণে হতমৈথুন করে থাকে। কিন্তু মহিলারা হস্তমৈথুন করলে তাদের সতিচ্ছেদ পর্দা ছিড়ে যায় এবং শারিরিক দুর্বলতা সহ শরীরের উজ্জলতা কমে যায়। পাশাপাশি এটি অবিবাহিত মহিলাদের ভেতরে যৌন ইচ্ছা প্রবল করে তোলে।




হস্তমৈথুনের কারণে ২ ধরনের সমস্যা দেখা দেয় তা হলঃ


১. মানসিক সমস্যা

২. শারীরিক সমস্যা


মানসিক সমস্যাঃ
হস্তমৈথুনের কারণে ছেলেরা মানসিকভাবে ভেঙে পরে। অকাল বির্যপাত হওয়ার কারণে বিয়ে করতে ভয় পায়। সবসময় দুশ্চিন্তা তাদের কে গ্রাস করতে থাকে।অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে ব্রেইনে এতটাই চাপ পরে যে তাদের আচরণে অশৃঙ্খল দেখা যায়। ফলে তাদের জীবন হয়ে উঠে দূর্বিসহ ও ভয়াবহ।


শারীরিক সমস্যাঃ


হস্তমৈথুনের ফলে সবথেকে বেশি ক্ষতি হয় শারীরিক ভাবে।হস্তমৈথুনের ক্ষতিকর প্রভাবগুলো আমাদের বাস্তব জীবনে সব থেকে বেশি প্রতিফলন হয়।অতিরিক্ত মাত্রায় হস্তমৈথুন করার ফলে শরীর অল্প দিনের মধ্যে খারাপ বা অসুস্থ হয়।স্বাস্থ্য চেহারা সব কিছুই নষ্ট হয়ে যায়। তাই হস্তমৈথুনের ক্ষতিকর দিক গুলো জানা খুবই প্রয়োজন।

 


নিচে হস্তমৈথুনের ফলে শারিরীক যে সমস্যা দেখা দেয় তা দেওয়া হলঃ


১. অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে সব থেকে বড় যে সমস্যা হয় তা হল অকাল বীর্যপাত। অকাল বির্যপাত এর ফলে স্বামী তার স্ত্রীকে পুরোপুরি সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হয়ে পরে। ফলে বিবাহিত জীবনে নেমে আসে অশান্তি।


২. অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে বির্যের শুক্রানু কমে যায় এবং বির্য পাতলা হয়ে যায়। বিজ্ঞানের ভাষায়, কোনো পুরুষের বির্যে যদি ২০ কোটির কম শুক্রাণু থাকে তাহলে সেই পুরুষ সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম হয়ে পরে।






হস্ত মৈথুনের উপকারিতা কি ?

 


হস্তমৈথুনের যেমন অপকারিতা রয়েছে তেমনি কিছু উপকারিতাও রয়েছে। তবে উপকারিতা পাওয়া যাবে যদি না এটি অতিরিক্ত করা হয়ে থাকে। পরিমিত পরিমাণে হস্তমৈথুন করলে শারিরিক এবং মানসিক তৃপ্তির পাশাপাশি লিঙ্গে রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায়। সেই সাথে শরিরে তৃপ্তি বৃদ্ধিকারক রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হয় ফলে শরিরে ফুরফুরে ভাব অনুভুত হয়।





হস্তমৈথুন সম্পর্কে ধর্মীয় বিধি-নিষেধ কি?



হস্ত মৈথুনের ক্ষতিকর দিক গুলো নিয়ে ইসলাম ধর্মেও বলা আছে। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী হস্তমৈথুন কিংবা নিজে নিজে অর্গাজম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও পাপ কাজ হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। যারা দুনিয়াতে নিজের হাত ব্যবহার করে হস্তমৈথুন করবে কেয়ামতের দিন তাদের হাতের আঙ্গুলগুলো গর্ভবতী হয়ে তার সামনে হাজির হবে এবং তাকে লানত করতে থাকবে।

(সূত্র: বিভিন্ন ওয়েবসাইট)